
নিজস্ব প্রতিবেদক: পাবলিক পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত করার ইঙ্গিত দিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
আরো পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের জন্য বিশাল সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
নতুন এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, কোনো শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ দুইবারের বেশি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না।
শনিবার (১১ এপ্রিল) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মিলনায়তনে কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
📌 বারবার ফেল—কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থী একাধিকবার ফেল করার পরও বারবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এতে শিক্ষাব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ও ভাইস-প্রিন্সিপাল,
সুপার ও সহকারী সুপার —
কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ —
স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য বিশেষ প্রস্তুতি।
✨ M A SAYED TONMOY স্যারের বাছাইকৃত সাজেশন
✅ ১০০% কমনের নিশ্চয়তা
📞 যোগাযোগ:
01717289550 (WhatsApp)
📊 প্রশ্নপত্র পদ্ধতি নিয়েও উদ্বেগ
বর্তমানে প্রায় ৫৬ ধরনের প্রশ্নপত্র তৈরি করে শিক্ষার্থীদের পাস করানোর প্রবণতা বাড়ছে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। তিনি মনে করেন, এতে শিক্ষার গুণগত মান ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
🎯 মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাই লক্ষ্য
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শুধু ফেল করা শিক্ষার্থীদের পাস করানো নয়—বরং পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকে একটি মানসম্মত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যাতে তারা ভবিষ্যতের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়।
✍️ সংক্ষেপে:
নতুন এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষার সুযোগ সর্বোচ্চ দুইবারে সীমাবদ্ধ হতে পারে—যা দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হবে।
মন্তব্য করুন