
এম এ সাইদ (তন্ময়): বৈশাখের আগে চেক ছাড়—শুনতে ভালো লাগে। কিন্তু বাস্তবতা? সেটি অনেক বেশি তিক্ত। কাগজে-কলমে ভাতা দেওয়া হলেও, প্রকৃতপক্ষে শিক্ষক-কর্মচারীদের হাতে টাকা পৌঁছাতে লাগে আরও কয়েকদিন, কখনো সপ্তাহও।
আরো পড়ুন:
শিক্ষায় নতুন দিকনির্দেশনা, জানালেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী দক্ষতা ছাড়া ভবিষ্যৎ নেই—ববি হাজ্জাজ
কারণটা সবাই জানে—
👉 আগে বিল তৈরি হবে
👉 তারপর ব্যাংকে জমা হবে
👉 এরপর প্রসেসিং
👉 তারপর অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে
👉 সবশেষে উত্তোলনের সুযোগ
এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্যে পহেলা বৈশাখ অনেক আগেই শেষ!
মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ও ভাইস-প্রিন্সিপাল,
সুপার ও সহকারী সুপার —
কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ —
স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য বিশেষ প্রস্তুতি।
✨ M A SAYED TONMOY স্যারের বাছাইকৃত সাজেশন
✅ ১০০% কমনের নিশ্চয়তা
📞 যোগাযোগ:
01717289550 (WhatsApp)
তাহলে প্রশ্ন ওঠে—
👉 এই ভাতা কি সত্যিই উৎসবের জন্য?
👉 নাকি এটি শুধুই প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা পূরণের একটি কাগুজে কাজ?
যে শিক্ষক সারা বছর শিক্ষার্থীদের মানুষ গড়ার দায়িত্ব পালন করেন, তিনি কি অন্তত একটি দিনের উৎসবও স্বস্তিতে উদযাপন করতে পারবেন না?
এটি কেবল অর্থের বিষয় নয়—
এটি সম্মান, সময়ানুবর্তিতা এবং দায়িত্ববোধের প্রশ্ন।
প্রতি বছর একই চিত্র। ঘোষণা আসে, সংবাদ হয়, কিন্তু বাস্তব পরিবর্তন কোথায়? শিক্ষক সমাজ এখন আর শুধু প্রতিশ্রুতি চায় না—তারা চায় সময়মতো বাস্তব প্রাপ্তি।
📌 শেষ কথা:
বৈশাখ আসে আনন্দ নিয়ে, কিন্তু দেরিতে আসা ভাতা সেই আনন্দকে পরিণত করে হতাশায়।
শিক্ষকদের প্রাপ্য যদি উৎসবের পরে আসে, তবে সেটি আর উৎসব ভাতা নয়—বরং এক ধরনের ‘বিলম্বিত প্রাপ্তি’।
লেখক কলামিস্ট
এম এ সাইদ (তন্ময়)
মন্তব্য করুন