
বিসিএস ১৪ ব্যাচকে পাশ কাটিয়ে ১৬ ব্যাচের কর্মকর্তাকে দায়িত্ব— নিয়ম ভাঙার অভিযোগ; পিএস পদ ছাড়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই ডিজি!
📰 সংবাদ প্রতিবেদন (শিক্ষার বাজার): শিক্ষা প্রশাসনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর একটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (ডিজি)। সেই গুরুত্বপূর্ণ পদে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে সাম্প্রতিক এক সিদ্ধান্ত।
আরো পড়ুনঃ
🔥 “ফেসবুকেই এখন দেশ চলে,”বট বাহিনীর অপপ্রচারে বিস্ফোরক শিক্ষামন্ত্রী
বিসিএস ১৬ ব্যাচের কর্মকর্তা প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলকে মাউশির ডিজি হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অথচ একই দপ্তরে বিসিএস ১৪ ব্যাচের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা কর্মরত থাকা সত্ত্বেও তাদের পাশ কাটিয়ে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
🔎 নিয়ম ভাঙার অভিযোগ
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, কোনো দপ্তরের শীর্ষ পদ শূন্য হলে সাধারণত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মধ্য থেকেই কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু এই ক্ষেত্রে সেই নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি।
অনেকে বলছেন, মন্ত্রীঘনিষ্ঠতা-ই এই নিয়োগের মূল কারণ।
⚠️ শিক্ষা ক্যাডারে অসন্তোষ
এই সিদ্ধান্তে শিক্ষা ক্যাডারদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। একাধিক কর্মকর্তা এটিকে “বৈষম্যমূলক” এবং “বিতর্কিত” বলে মন্তব্য করেছেন।
একজন জ্যেষ্ঠ অধ্যক্ষ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন—
👉 “জুনিয়র কর্মকর্তাকে এমন গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো শিক্ষা প্রশাসনে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে পারে।”
⏱️ এক ঘণ্টায় নাটকীয় পরিবর্তন!
ঘটনাকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে সময়ের হিসাব—
শিক্ষামন্ত্রীর পিএস পদ থেকে পদত্যাগের মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই সোহেলকে ডিজির দায়িত্ব দেওয়া হয়।
অনেকে এটিকে “পরিকল্পিত পদক্ষেপ” হিসেবে দেখছেন।
🗣️ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার ক্ষোভ
মাউশির পরিচালক প্রফেসর কাজী মো. আবু কাইয়ুম বলেন—
👉 “আমার চেয়ে দুই ব্যাচ জুনিয়র একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এটি জ্যেষ্ঠতার স্পষ্ট লঙ্ঘন।”
🎓 শিক্ষাবিদদের কড়া সমালোচনা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান মামুন তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন—
👉 “একজন পিএইচডিধারী অধ্যাপক যদি মন্ত্রীর পিএস হন, তবে প্রশ্ন উঠবে— তিনি কি আদৌ অধ্যাপক হওয়ার যোগ্য?”
তিনি আরও বলেন,
👉 “এই নিয়োগ শুধু ব্যক্তি নয়, পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করছে।”
📉 রাজনৈতিক চাপের আশঙ্কা
শিক্ষাঙ্গনের অস্থির পরিস্থিতিতে এমন সিদ্ধান্ত সরকারকেও চাপে ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
🔚 শেষ কথা:
👉 যোগ্যতা না ঘনিষ্ঠতা— কোনটি এখন নিয়োগের মাপকাঠি? শিক্ষা প্রশাসনে উঠছে বড় প্রশ্ন।
মন্তব্য করুন