সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী - শিক্ষার বাজার
admin
১৭ মার্চ ২০২৬, ৫:১৮ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

শেয়ার করুন

শি-বা ডেস্ক: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান নিয়োগ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ব্যাপার।

আরো পড়ুন:

সুসংবাদ এর পরিবর্তে দু:সংবাদ বেসরকারি শিক্ষকদের

সোমবার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা কোনো অফিসারকে কেনো পাল্টাবো বা পাল্টাবো না সেগুলো সিদ্ধান্ত অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ (প্রশাসনিক) ব্যাপার।

লিভ ইট টু আস। আমরা তো কাজ করছি। আস্তে আস্তে সবই হবে। এগুলো অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ওয়েতেই হবে।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘একজন লোকের রাজনীতি করা কি অপরাধ? এটি কি তাদের ডিসকোয়ালিফিকেশন? এটা ডিসকোয়ালিফিকেশন নয়।

প্রত্যেকটি ভিসির বিষয়ে চেক করেছি, সাইটেশন, কোটেশন, গুগল সার্চ, পিএইচডি, পোস্ট ডক, এমফিল, সব দেখে ক্যাটাগরি করে যারা ভালো পারফরম্যান্স করেছে, তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’

শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আরও বলেন, ‘আপনারা চাইলে এসব দেখাতে পারব। আমার কাছে এসব রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম হায়েস্ট পারফরমার।

আমরা শিক্ষাগত যোগ্যতাকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিয়েছি। রাজনীতি করাটা শিক্ষকদের ব্যক্তিগত ইচ্ছা। কে রাজনীতি করবে কি করবে না, এটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কেউ কাউকে রাজনীতিতে ম্যানডেটরি করতে পারবে না।’

মন্ত্রী বলেন, আজ আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিচ্ছি। গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান বা প্রেসিডেন্ট হওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের বেসলাইন হবে স্নাতক (গ্র্যাজুয়েট) ডিগ্রি।

তবে শুধু এটুকুতেই সীমাবদ্ধ থাকছি না; যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে আরও বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হবে। আমরা চাই যোগ্য ও দক্ষ মানুষদেরই এই কাঠামোর উচ্চতর স্তরে নিয়ে আসতে।

তিনি আরও বলেন, এর আগে বিগত সরকারের সময় যে বিধান ছিল, সেখানে বলা হতো—সিনিয়র শিক্ষক হতে হবে বা হেডমাস্টার হতে হবে। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই সুযোগ সীমিত ছিল। আপনারা সাংবাদিকরা জানেন, তখন অনেক সময় নেপোটিজম ও ফেভারিটিজমের অভিযোগও উঠত এবং বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে আলোচিত হতো না।

আমরা মনে করি, সেই ধারা থেকে বের হয়ে এসে সবার জন্য সুযোগের ক্ষেত্র তৈরি করতে হবে। যোগ্যতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাধ্যমে একটি ন্যায্য ও কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

Facebook Comments Box

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

🔥 “ফেসবুকেই এখন দেশ চলে, ”বট বাহিনীর অপপ্রচারে বিস্ফোরক শিক্ষামন্ত্রী

অভুক্ত শিক্ষক, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ—নন-এমপিও শিক্ষকদের বঞ্চনায় ধুঁকছে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা

🔥 শিক্ষা কি বদলাচ্ছে, নাকি শুধু নীতিমালা?—এক কঠিন প্রশ্নের সামনে আমরা

ট্রাম্পের বড় ঘোষণা! লেবানন-ইসরায়েলে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি শুরু

৯ লাখ কোটি টাকার বাজেটে চমক! ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান কার্ড’সহ বড় পরিবর্তনের পথে সরকার

যুদ্ধের চাপেই বড় সিদ্ধান্ত, জ্বালানি রপ্তানি হঠাৎ বন্ধ করল ইরান

স্থগিতাদেশ পেরিয়ে পরীক্ষা বহাল! ১৮ এপ্রিলই হচ্ছে এনটিআরসিএর বড় নিয়োগ পরীক্ষা

🔴 ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ

📊 নকল, না সৃজনশীল মূল্যায়ন?

“প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে ‘হাউজ অ্যারেস্ট’ ব্যবস্থা”

১০

“বোনাসে বঞ্চিত শিক্ষক, অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে জাতিকে!”

১১

“তেল নেই, থেমে গেল দেশের একমাত্র রিফাইনারি—জ্বালানি খাতে বড় সংকেত!”

১২

🚨 চূড়ান্ত পাশ, তবুও চাকরি নেই! ১৪ হাজার শিক্ষক প্রার্থীর কান্না থামছে না

১৩

বারবার অভিযান, তবুও ধরাছোঁয়ার বাইরে রাদা রানী চক্র!

১৪

“চেক নয়, যেন প্রহসন! বৈশাখ গেল, ভাতা এখনো ‘প্রসেসে’!”

১৫

শিক্ষায় নতুন দিকনির্দেশনা, জানালেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী দক্ষতা ছাড়া ভবিষ্যৎ নেই—ববি হাজ্জাজ

১৬

ইসলামাবাদে আলোচনার মধ্যেই সুখবর, ইরানের জব্দ ৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়তে রাজি যুক্তরাষ্ট্র

১৭

“টানা ৫ দিনের ছুটির আমেজ! আজ থেকে স্কুল-কলেজ বন্ধ, তবে মাদ্রাসায় চলছে ক্লাস—ভিন্ন সিদ্ধান্তে চমক”

১৮

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা, সাত ইস্যুতে নজর বিশ্ব কূটনীতির

১৯

🔴 ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত, দুইবারের বেশি পরীক্ষা নয়

২০
Developed by : BDIX ROOT