ভোটের কালি মুছের যাওয়ার আগেই প্রতিশ্রিুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছিঃপ্রধানমন্ত্রী – শিক্ষার বাজার
admin
১৪ মার্চ ২০২৬, ২:২৩ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

ভোটের কালি মুছের যাওয়ার আগেই প্রতিশ্রিুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছিঃপ্রধানমন্ত্রী

শি-বা: ভোটের কালি মুছে যাওয়ার আগেই জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের সরকারি সম্মানি প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এই কথা জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা অর্থনৈতিকভাবে বা অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছেন, তাদের জন্য আর্থিক সহায়তা কিংবা কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে আর্থিক বৈষম্য দূর করবো।

জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা জনগণের কাছে সেই রকমই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছ। ভোটের কালির দাগ নখ থেকে মোচনের আগেই আমরা সব প্রতিশ্রুতি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।’

তিনি আরও বলেন, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য এরইমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে এই কার্ড সারা বাংলাদেশে চার কোটি পরিবার পাবে। আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ থেকে আমরা কৃষক কার্ডের পাইলট প্রজেক্ট চালু করব।

আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে শুরু হচ্ছে আমাদের খাল খনন কর্মসূচি। আজ থেকে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা বা সম্মানী কর্মসূচির পাইলট প্রজেক্ট চালু হলো।

দেশের প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশকে একটি শক্তিশালী ভিত্তির উপরে প্রতিষ্ঠিত করতে চান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, যাতে করে আর কোনো ফ্যাসিবাদ কিংবা তাদের তাবেদার অপশক্তি মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে, কথা বলার অধিকার কেড়ে নিতে না পারে। আমি একজন রাজনীতি কর্মী হিসেবে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, দেশের নাগরিকদেরকে যদি দুর্বল করে রাখা হয় তাহলে রাষ্ট্র কখনোই শক্তিশালী হতে পারে না। তাই নাগরিকদের আমরা রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে ধীরে ধীরে শক্তিশালী গড়ে তুলতে চাই।

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষ তথা প্রতিটি নাগরিকের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার রাষ্ট্রীয় সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং চালিয়ে যাবে বলেও জানান সরকার প্রধান। সেইসঙ্গে নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি কিছু দায়িত্ববোধও রয়েছে বলে মনে করিয়ে দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ রাষ্ট্র মানুষের জীবনে হয়তো আত্মিক স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করে। কিন্তু ধৈর্য, সততা, কৃতজ্ঞতাবোধ, শ্রদ্ধা, আনুগত্য, সংহতি, সহনশীলতা, উদারতা, বন্ধুত্ব, বিনয়, দায় কিংবা দয়া—এই সমস্ত বৈশিষ্ট্যগুলো অর্জন ছাড়া একজন ব্যক্তি মানবিক গুণাবলি সম্পন্ন হয়ে উঠতে পারেন না।

এই ধরনের মানবিক বৈশিষ্ট্যগুলো অর্জনের জন্য ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধ উজ্জীবিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে আগামী দিনে যারা দেশকে নেতৃত্ব দেবে তাদের জন্য প্রয়োজন।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গুরুত্বপূর্ণ যে ঘোষণা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

জাল সনদে শিক্ষকতা কোহিনূরের—মামলাসহ যেসব পদক্ষেপ নিল এনটিআরসিএ

কোয়ান্টাম সংশ্লিষ্ট সেই পত্র বাতিল করল শিক্ষা মন্ত্রণালয়

পাবলিক পরীক্ষায় পরিবর্তন আনার চেষ্টা চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

ভোটের কালি মুছের যাওয়ার আগেই প্রতিশ্রিুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছিঃপ্রধানমন্ত্রী

শিক্ষকদের নতুন চমক দেখালেন শিক্ষামন্ত্রী

Developed by : BDIX ROOT